র‌্যাব অফিস টা এইদিকেই হবার কথা, খুজে পাইতেছে না মিথুন।
গতকাল রাতে একটু হিরো হবার চেষ্টায় ভয়ানক মাত্রার থ্রেট খেয়ে হজম করে ফেলছে ও, ও আবার একটু ভিতু টাইপের মানুষ।কখন কি হয়ে পরে পৈত্রিক প্রান টা হারাবে নাকি বেঘরে !
রাত প্রায় ১০ টার দিকে হেটে বাসায় ফিরছিলো ও, পকেট একেবারেই খালি, একটা ৫ টাকার নোট ছিলো, ঠোটে সেটায় আগুন লাগিয়ে একা একা আনমনে গুন গুন হাটতে বেশ লাগে।
রাস্তায় একটা রিক্সা একটু হইলেই ওর উপর রিক্সা তুলে দিয়েছিলো, ব্যাটার চোদ্দ গুষ্টি তুলে কয়টা গাল দিতে পারলে শান্তি হতো, তাও পারে নাই, ও আবার একটু ভীতু টাইপের তো।
রাস্তার মোড়ে এসে দেখা গেলো ঐ রিক্সাটাই থেমে, একটা ছেলে উত্তেজিত ভঙ্গিতে কি জানি বলতেছে রিক্সার আরোহী কে।
-  ভুলে গেলা সব তুমি ? আমাদের এতদিনের সব ? তোমার বাবার চাওয়া টাই সব কিছুর আগে ? আর আমি ? আমার ভালোবাসা ? আমাকে দেখানো এতদিনের সপ্ন ? আমাদের একসাথে কাটানো সব গুলো মুহুর্ত ? সব ভুলে গেলা তুমি ?
ভিতর থেকে মেয়েটার ডুকরে কেদে ঊঠার শব্দ পাওয়া গেলো একবার।
মিথুন অবশ্য একটু ভীতু টাইপের মানুষ, তবু ওর পুরুষত্ত মাথা চারা দিয়ে যেগে গেলো হটাত করে……।।
আচ্ছা মেয়েটার তো ওর প্রেমে পড়ার কথা, ও নিজে কেমন প্রেমে পড়ে গেলো ধপাস করে ! ধপাস করে প্রেমে পড়া কথা টা অবশ্য শিমুল ভাইয়ের কাছ থেকে শেখা।
আসলে রাস্তাঘাটে এভাবে প্রেমে পড়ে যাবার কোন মানেই হয় না, নাক ফাটিয়ে দেয়া ছেলে টা যে মেয়েটার প্রাক্তন প্রেমিক বোঝাই যাইতেছিলো।
আজ একবার খুব সাহসী হতে ইচ্ছে করতেছে মিথুনের, ওর কাছে যেয়ে বলতেছে যা হুবার হইছে, এখন আমি ভীতু মানুষ টা তোমার প্রেমে ধপাস করে পড়ে গেছি, তুলো আমাকে…। সব কিছু আসলে কখনই বলা হয়ে উঠে না, সব বলে দেয়াও কাজে লাগে না। সময়ের কাজ সময়ে করার অনেক দাম, আর আয়না ভেঙ্গে গেলে সেইটা সুপার গ্লু দিয়ে হাজার বার জোড়া লাগাইলেও তাতে আর ক্লিয়ার করে মুখ দেখা যায় না, তখন একটা নতুন আয়না কিনে নেয়া বা দেয়াই বেটার……।।

ঘুরে আসুন www.fajlami.com থেকে

0 comments:

Post a Comment

 
Top